চর্যাপদ কে আবিষ্কার করেন?
-
ক
সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
-
খ
ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
-
গ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ঘ
প্রবোধচন্দ্র বাগচী
-
ঙ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর: C. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার (রয়্যাল লাইব্রেরি) থেকে আবিষ্কার করেন। তিনি তিব্বতি ও নেপালি ভাষায় লেখা প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহের উদ্দেশ্যে নেপাল ভ্রমণে গিয়ে এই অনন্য কাব্যগ্রন্থটির সন্ধান পান। পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে তিনি তার আবিষ্কৃত পুঁথিগুলো 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। অপশনে থাকা অন্যদের মধ্যে সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় চর্যাপদের ভাষার ওপর বৈজ্ঞানিক গবেষণা করেছিলেন এবং প্রবোধচন্দ্র বাগচী এর তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেছিলেন, তবে মূল আবিষ্কারের কৃতিত্ব এককভাবে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, বহুভাষাবিদ, দার্শনিক, পণ্ডিত, প্রত্নতত্ত্ববিদ, ঐতিহাসিক, সংস্কৃত বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা। ভারততত্ত্ব নিয়ে শাস্ত্রীকে আগ্রহী করেন রাজেন্দ্রলাল মিত্র। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের (১৯২১) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন এবং 'এশিয়াটিক সোসাইটি'র সভাপতি ছিলেন (১৯১৯-১৯২১)।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ সালে নৈহাটি, পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন। আদি নিবাস- খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে।
- প্রকৃত নাম শরৎচন্দ্র ভট্টাচার্য। পারিবারিক পদবি- ভট্টাচার্য।
- তিনি বিএ ক্লাসে অধ্যয়নকালেই 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত 'ভারত মহিলা' প্রবন্ধটি রচনা করে 'হোলকার পুরস্কার' লাভ করেন।
- সংস্কৃত কলেজ থেকে তিনিই একমাত্র প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে উত্তীর্ণ (১৮৭৭) হওয়ায় তাকে 'শাস্ত্রী' উপাধি দেওয়া হয়।
- উপাধি- মহামহোপাধ্যায় (১৮৯৮), সি.আ.ই (১৯১১)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডি.লিট (১৯২৭) উপাধিতে ভূষিত হন।
- তিনি ১৭ নভেম্বর, ১৯৩১ সালে মারা যান।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
উপন্যাস: 'কাঞ্চনমালা' (১৯১৬), 'বেণের মেয়ে' (১৯২০)।
'তৈল': এটি প্রথম 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
'বাল্মীকির জয়' (১৮৮১), 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ' (১৮৮২), 'মেঘদূত ব্যাখ্যা' (১৯০২), 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' (১৯১৬), 'প্রাচীন বাংলার গৌরব' (১৯৪৬), 'বৌদ্ধধর্ম' (১৯৪৮), 'সচিত্র রামায়ণ'।
Related Question
View Allচর্যাপদের ভাষাকে 'আলো আঁধারি' বলে অভিহিত করেন কে?
-
ক
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
-
খ
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
-
গ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ঘ
সুকুমার সেন
চর্যাপদের খন্ডিত পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন-
-
ক
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
-
খ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
গ
রাজেন্দ্রলাল মিত্র
-
ঘ
সুকুমার সেন
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কি?
-
ক
পণ্ডিত
-
খ
বিদ্যাসাগর
-
গ
শাস্ত্রজ্ঞ
-
ঘ
মহামহোপাধ্যায়
চর্যাপদ আবিষ্কার করেন-
-
ক
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
-
খ
দীনেশ চন্দ্র সেন
-
গ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ঘ
সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
'তৈল' প্রবন্ধটি লিখেছেন-
-
ক
সুকুমার রায়
-
খ
রমেশচন্দ্র মজুমদার
-
গ
শিবনারায়ণ রায়
-
ঘ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
কোনটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর লেখা প্রবন্ধ?
-
ক
বাবু
-
খ
অতি অগ্ন হইল
-
গ
শরৎ
-
ঘ
তৈল
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন